- Shop
- বাংলার কামান
বাংলার কামান
https://uplbooks.com/shop/9789845067096-23860 https://uplbooks.com/web/image/product.template/23860/image_1920?unique=83f6a9c
Tags :
Book Info
কামানের উদ্ভাবন পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দিয়েছিল। কিন্তু বাংলার ইতিহাসে কামানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা খুব কম মানুষই জানেন। বাংলায় কামান ব্যবহারের সূচনা সুলতানি আমল থেকে। মুঘলদের বাংলা দখলের যুদ্ধগুলোতে উভয়পক্ষেই গোলন্দাজ বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ঈশা খাঁ নৌযুদ্ধে কামানের সফল ব্যবহার করে একাধিকবার মুঘল সেনাপতি রাজা মানসিংহকে পরাজিত করেছিলেন, রাজা প্রতাপাদিত্যেরও কামান-বারুদের বিশাল সংগ্রহ ছিল। ঔপনিবেশিক আমলে ব্রিটিশসহ আর সব ইউরোপীয় শক্তির আগ্রাসনে আধুনিক প্রযুক্তির কামান বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। বাংলা অঞ্চলে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক এই কামানগুলোর সাথে পাঠককে পরিচিত করিয়ে দেবে বাংলার কামান গ্রন্থটি। লেখক অধিকাংশ কামানের সংরক্ষণের স্থানে ব্যক্তিগতভাবে গিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন। তার ভিত্তিতেই মধ্যযুগ থেকে ব্রিটিশ আমল পর্যন্ত বাংলায় কামানের ব্যবহারের ধারাবাহিক অগ্রগতি গ্রন্থবদ্ধ করেছেন। একেকটি কামানের সাথে সাথে পাঠক যেন বাংলার ইতিহাসের একেকটি টালমাটাল অধ্যায়ে সময়-ভ্রমণ করবেন। নিছক যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে নয়, কামানের নির্মাণ, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পেছনের জটিল সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক কাঠামো ও অর্থনীতি-নির্দেশক বিষয়গুলো নিয়েও পাঠককে ভাবাবে এই গ্রন্থটি।
মো. আবুল হাশেম মিয়া
মো. আবুল হাশেম মিয়া (১৯৩৯-২০১৫), প্রত্নতত্ত্ববিদ, জন্ম শরিয়তপুর জেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর চট্টগ্রাম সেনানিবাস উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে পেশাজীবন শুরু। ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরের গ্যালারি সহকারি পদে যোগ দেন এবং ২০০৩ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনে রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান, উৎখনন, রক্ষণাবেক্ষণ, পুনরানয়ন ও প্রকাশনা। বাংলাদেশের অনেকগুলো উল্লেখযোগ্য প্রত্নস্থানেই পরিচালনা করেছেন অনুসন্ধান অথবা উৎখনন। এগুলোর মাঝে রয়েছে সীতাকোট বিহার, ময়নামতি আনন্দ বিহার, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড়, জগদ্দল বিহারে প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখনন। এসব প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান ও উৎখননের অধিকাংশই প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর পেশাগত জীবনের গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত কামানবিষয়ক এই গবেষণা গ্রন্থ।